পড়াশোনা মনে রাখার সঠিক উপায় বলতে, নির্দিষ্ট কোনো উপায়ের কথা বলা যাবে না। যে, যে রকমভাবে পড়ে মনে রাখতে পারেন, সেটাই তার জন্য সুবিধাজনক।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় যা দেখেছি, যে বিষয়টি পড়া হলো, সেটি লেখার অভ্যাস, মনে রাখার ক্ষেত্রে সাহায্য করে।
রিডিং পড়ার সাথে সাথে, সমান ভাবেই লেখার অভ্যাস, হয়তো মনে রাখার ক্ষেত্রে কাজ করবে।
চেষ্টা করে, দেখা যেতে পারে।
৩ টি বিষয়ঃ
যতক্ষণ পড়বেন খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বেন, পারলে ভোরবেলা উইঠা পড়বেন।
বন্ধুদের সাথে পড়া শেয়ার করে পড়বেন।
টিচার পড়ানোর আাগে পরবর্তী চ্যাপ্টার এক পলক দেখে নিবেন।
কয়েকদিন দিন আগে কি পড়েছিলেন ভুলে গেছেন? কিন্তু বন্ধুদের সাথে কবে কোথায় গেছিলেন, কয়েক বছর আগে শিক্ষাসফরে কোথায় গেছিলেন, তা ঠিকই মনে আছে। তারমানে বাকি সব ঠিকই মনে থাকলেও আপনার পড়ালেখা মনে থাকে না। এইজন্য বাকি সব কিছু মনে রাখার স্টাইলেই খুব সহজেই পড়ালেখা মনে রাখতে পারবেন-
০১: আগ্রহ নিয়ে খালি মাথায় পড়তে বসুন: খেলা, সিনেমা দেখার জন্য আপনি যেমন অতি আগ্রহ নিয়ে, জিতার আশা নিয়ে টিভি দেখতে বসেন। পড়ার সময়ও ঠিক একইভাবে, নিজের ভিতর থেকে অতি আগ্রহ নিয়ে পড়তে বসতে হবে। পড়া কঠিন, মনে থাকে না, বুঝতে পারছি না- এইসব ভুলে গিয়ে, খালি মাথা অর্থাৎ বাজে চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিয়ে বসতে হবে। সেই জন্যই ভোরে উঠে পড়তে বসলে মাথা পরিষ্কার থাকে এবং পড়া অনেক দ্রুত মুখস্ত হয়।
০২: ছোট ছোট অংশে ভাগ করে পড়তে পারেন: খুবই সাধারণ একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। মনে করুন আপনার একটা ফোন নাম্বার মনে রাখা প্রয়োজন। এখন ০১৭১২৩৪৫৬ পুরাটা একসাথে পড়লে দুই মিনিট পরেই ভুলে যাবা। তাই ভেঙ্গে ভেঙ্গে ০১৭১২ – ৩৪৫ – ৬৭৮ এই স্টাইলে পড়ুন। পড়ার সময় চিন্তা করুন যে - “০১৭১২ (আধা সেকেন্ড দম নিয়ে) ৩৪৫ (আধা সেকেন্ড দম নিয়ে) ৬৭৮”, ফলে মনে রাখা অনেক সহজ হবে। এরপর নাম্বারটা মনে রাখার লক্ষ্য নিয়ে খেয়াল করে করে ভালো ভাবে তিনবার থেকে চারবার পড়ুন। দুই-তিনবার না দেখে কাগজে লিখার চেষ্টা করুন। দেখবেন কোনোদিনই এই নাম্বারটা আর ভুলবেন না। শুধু ফোন নাম্বার না, বড় সাইজের কোনো প্রকারভেদ, ব্যবসায় নীতি, বিশাল বিশাল প্রমাণ এই সিস্টেমে ভাগ করে করে পড়ুন।